পোস্টগুলি

আল কুরআনে শিখানো দুয়াগুলো

আলহামদুলিল্লাহ!  কুরআনের প্রায়  সমস্ত দোয়াগুলি এক জায়গায় বাংলা উচ্চারণ ও মিনিংসহ লিপিবদ্ধ করে দেয়া হলো। এ দোয়াগুলি নিজে মুখস্থ করুন এবং অপরকে পড়ার ও মুখস্থ করার সুযোগ করে দিন। 📷  رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا ۖ إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ، وَتُبْ عَلَيْنَا ۖ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ، البقرة ١٢٧ রব্বানা- তাক্বব্বাল্ মিন্না- ইন্নাকা আংতাস্ সামী'য়ুল্ 'আলীম্। ওয়া তুব্ 'আলাইনা- ইন্নাকা আংতাত্তাওয়া-বুর্ রহীম। "হে আমাদের প্রভূ! তুমি আমাদের থেকে (সব দোয়া) কবুল করো। নিশ্চয়ই তুমি সবকিছু শুনতে পাও ও সব কিছু জানো। আর তুমি আমাদের তাওবাহ্ কবুল করো। অবশ্যই তুমি একমাত্র তাওবাহ্ কবুলকারী ও দয়াময়"। 📷 رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ, البقرة ٢٠١ রব্বানা- আ-তিনা- ফিদ্দুন্ইয়া- 'হাসানাতাওঁ ওয়া ফিল্ আ-খিরতি 'হাসানাতাওঁ ওয়া ক্বিনা- 'আযা-বান্না-র্। "হে আমাদের প্রভু! তুমি দুনিয়া ও আখিরাতে আমাদেরকে কল্যাণ দান করো। আর দোজখের আগুন থেকে তুমি আমাদেরকে বাঁচাও"। 📷  رَبَّنَا أَفْرِغْ عَل...

আল কুরআনে দোয়া

আল কুরআনে শিখানো দোয়া আলহামদুলিল্লাহ, আল কোরআন এর প্রায় সবগুলো গুরুত্বপূর্ণ দোয়া একত্রিত করা হয়েছে। নিজে মুখস্থ করতে পারেন ও অন্যকে শিখার সুযোগ করে দিতে পারেন------- ♦ رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِنْ لَمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ.  (সূরা আ'রাফ-২৩)  “হে আমাদের রব! আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। এখন যদি তুমি আমাদের ক্ষমা না করো এবং আমাদের প্রতি রহম না করো, তাহলে নিঃসন্দেহে আমরা ধ্বংস হয়ে যাবো।” ♦ رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هَٰذَا بَاطِلًا سُبْحَانَكَ فَقِنَا عَذَابَ النَّارِ.(আলে ইমরান- ১৯১)  “হে আমাদের প্রভু! এসব তুমি অনর্থক ও উদ্দেশ্যবিহীন ভাবে সৃষ্টি করো নি। বাজে ও নিরর্থক কাজ করা থেকে তুমি পাক-পবিত্র ও মুক্ত। কাজেই হে প্রভু! জাহান্নামের আযাব থেকে আমাদের রক্ষা করো।  ♦ رَبَّنَا إِنَّكَ مَنْ تُدْخِلِ النَّارَ فَقَدْ أَخْزَيْتَهُ ۖ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ  أَنْصَارٍ.(আলে ইমরান-১৯২) তুমি যাকে জাহান্নামে ফেলে দিয়েছো, তাকে আসলে বড়ই লাঞ্ছনা ও অপমানের মধ্যে ঠেলে দিয়েছো এবং এহেন জালেমদের কোন সাহায্যকারী হবে না। ...

হালাল রোমান্টিক

ছবি
"হালাল রোমান্টিক"  হুজুরদের প্রায় একটা অপবাদ শুনতে হয় যে আন রোমান্টিক৷ অথচ হুজুরদের বা হুজুর মেন্টালিটির ছেলেদের রোমান্টিকতা খুব বেশী। তবে সেগুলো নোংরা ধাচের নয়। রোমান্টিকতা গুলো কেবল হালাল একজনের জন্যই সীমাবদ্ধ, আর স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ছিলেন একজন রোমান্টিক স্বামী। হুজুরদের রোমান্টিকতা গুলোও আল্লাহ তায়ালা কেন্দ্রিকই হয়ে থাকে। বস্তুত হুজুরদের সব কিছু আল্লাহ তায়ালার জন্যই। প্রশ্ন জাগে কীভাবে? রোমান্টিকতা আবার আল্লাহ তায়ালা কেন্দ্রিক? নিজের দাম্পত্য জীবন (ও অন্যান্য দ্বীনি ভাইদের দাম্পত্য জীবনের পক্ষ থেকেও) হালাল রোমান্টিকতার কিছু মুহুর্ত, কিছু বাস্তব অণুগল্প শেয়ার করি। . . ❒ অনুগল্প-১ঃ স্বামী জুম্মা পড়তে বের হচ্ছে, স্বামীর হাতে চুম্বন করে আতর মাখিয়ে দিতে দিতে স্ত্রী: "আপনার দুয়াতে যেন আমি অবশ্যই শামিল থাকি" . ❒ অনুগল্প-২ঃ "বাহুডোর ভেঙ্গে প্রচন্ড শীতেও স্ত্রী প্রিয়তম স্বামীকে ফজরে মসজিদে পাঠায়, পরকালেও বাহুডোরে বাধবে বলে" . ❒ অণুগল্প-৩ঃ তীব্র ঘুমে বিভোর, নিষ্পাপ মুখটি মায়া আকর্ষণ করলেও ক্ষণিকের জন্য মায়া বিসর্জন দিয়ে তাহাজ্জুদের জন্য চোখ মুখে পানি ছিটায়ে...

💑 "স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা কেমন হবে..?"

💑 "স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা কেমন হবে..?" -- এ প্রসংগে চমৎকার এই নোটটি পড়তে পারেন, উপকৃত হবেন ইনশাআল্লাহ। একজন স্বামী এবং স্ত্রী পরস্পর তিনটি চাহিদাকে কেন্দ্র করে একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকে। শারীরিক চাহিদা, মানসিক চাহিদা এবং আধ্যাত্মিক চাহিদা। এর কোন একটির ঘাটতি বয়ে আনতে পারে অসন্তুষ্টি। আর তাই বিয়ের আগ মুহূর্তে সুন্নাহ মোতাবেক পারিবারিক জীবন অতিবাহিত করার একটা রাফ প্ল্যান করে নিতে পারেন। কিছু বিষয় হাইলাইট করে যদি সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনা করা যায় তবে প্রতিটি ঘর হয়ে উঠবে প্রশান্তিময়। বিয়ে পরবর্তী রোমান্স যেনো আমৃত্যু টিকে থাকে এজন্য নিম্নের সুন্নাতি বিষয়গুলোতে আসুন সকল পুরুষরা একটু চোখ বুলিয়ে নেইঃ ১) সহধর্মিণীর হৃদয়ের ভাষা বুঝুনঃ রাসূলুল্লাহ (সা:) একবার আয়িশাকে (রা:) বললেন, হে আয়িশা! আমি অবশ্যই জানি কখন তুমি আমার প্রতি সন্তুষ্ট থাক আর কখন অসন্তুষ্ট হও। আয়িশা (রা:) জিজ্ঞেস করলেন, তা আপনি কিভাবে জানেন? রাসূলুল্লাহ (সা:) বললেন, যখন তুমি আমার প্রতি সন্তুষ্ট থাক, তখন তুমি এরূপ বল, ‘মুহাম্মাদের (সা:) রবের কসম, আর যখন তুমি অসন্তুষ্ট হও তখন বল, ‘ইবরাহীমের (আ:) রবের কসম’!...

বাসর রাতের করণীয় এবং বর্জনীয়ঃ

ছবি
বাসর রাতের করণীয় এবং বর্জনীয়ঃ- কুরআন হাদীসের আলোকে বাসর রাতের করণীয়  ও বর্জণীয় কাজগুলো নিচে আলোচনা করা হল। অনেক ভাই বাসর রাতের করণীয় ও বর্জণীয় বিষয়গুলো এবং ইসলামী শরীয়ত মতে স্ত্রীর সাথে  কিভাবে সহবাস করতে হয় এটা জানতে চান তাদের জন্যই কুরআন হাদীসের আলোকে এই প্রবন্ধটি লেখলাম। কেননা ইসলামী যৌন বিজ্ঞান সম্পর্কে বর্তমান সমাজের অনেকেই অজ্ঞ ! ফলে বহু মানুষ  সঠিক মাত্রা ও ব্যবহার পদ্ধতি না জানার কারণে  বিভিন্ন পাপ ও নানাবিধ যৌন রোগ আক্রান্ত হচ্ছে। যাই হোক এবার আসি মূল আলোচনায়। বাসর রাতে স্বামী প্রথমে রুমে প্রবেশ করে স্ত্রীকে সালাম করবে এর পর নতুন স্ত্রীর সাথে প্রথম সাক্ষাতের সময় তার কপালে হাত রেখে এ দু‘আ পড়বে। اَللّهُمَّ إنِّيْ أسْألُكَ مِنْ خَيْرِهَا وَخَيْرِ مَا جَبَلْتَ عَلَيْهِ . وأعُوْذ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ مَا جَبَلْتَ عَلَيْهِ.   অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এ স্ত্রীর কল্যাণ এবং যে কল্যাণের উপর তাকে সৃষ্টি করেছেন,তা প্রার্থনা করছি এবং স্ত্রীর অনিষ্টতা এবং যে অনিষ্টতার উপর তাকে সৃষ্টি করেছেন তা থেকে পানাহ চাচ্ছি। (সুনানে আবু দাউদ হাদীস নং-২১৬০...

শহীদ হওয়া ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী বীর মুজাহিদদের নামঃ-

ছবি
শহীদ হওয়া ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী বীর মুজাহিদদের নামঃ- ২০০৯ সালে ২৫ শে ফেব্রুয়ারী  পিলখানায় শহীদ হওয়া ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী বীর মুজাহিদদের নামঃ- ০১. শহীদ মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ ০২. শহীদ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাকির হোসেন ০৩. শহীদ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল বারী ০৪. শহীদ কর্নেল মো. মজিবুল হক ০৫. শহীদ কর্নেল মো. আনিস উজ জামান ০৬. শহীদ কর্নেল মোহাম্মদ মশিউর রহমান ০৭. শহীদ কর্নেল কুদরত ইলাহী রহমান শফিক ০৮. শহীদ কর্নেল মোহাম্মদ আখতার হোসেন ০৯. শহীদ কর্নেল মো. রেজাউল কবীর ১০. শহীদ কর্নেল নাফিজ উদ্দীন আহমেদ ১১. শহীদ কর্নেল কাজী এমদাদুল হক ১২. শহীদ কর্নেল বিএম জাহিদ হোসেন ১৩. শহীদ কর্নেল সামসুল আরেফিন আহাম্মেদ ১৪. শহীদ কর্নেল মো. নকিবুর রহমান ১৫. শহীদ কর্নেল কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন ১৬. শহীদ কর্নেল গুলজার উদ্দিন আহমেদ ১৭. শহীদ কর্নেল মো. শওকত ইমাম ১৮. শহীদ কর্নেল মো. এমদাদুল ইসলাম ১৯. শহীদ কর্নেল মো. আফতাবুল ইসলাম ২০. শহীদ লেফটেন্যান্ট কর্নেল এনশাদ ইবন আমিন ২১. শহীদ লেফটেন্যান্ট কর্নেল শামসুল আজম ২২. শহীদ লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী...

আল মাহমুদ : একটি নাম, একটি ইতিহাস

ছবি
♥ আল মাহমুদ : একটি নাম, একটি ইতিহাস ♥ কোনো এক ভোর বেলা, রাত্রি শেষে শুভ শুক্রবারে মৃত্যুর ফেরেস্তা এসে যদি দেয় যাওয়ার তাকিদ; অপ্রস্তুত এলোমেলো এ গৃহের আলো অন্ধকারে ভালোমন্দ যা ঘটুক মেনে নেবো এ আমার ঈদ। ~ আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তিতুল্য কবি আল মাহমুদ ধুলোমাটির এই পৃথিবীর সমস্ত মায়া ছিন্ন করে বিদায় নিয়েছেন। লম্বা সময় ধরে অসুস্থ এই কবিকে নিয়ে সাহিত্যপ্রেমীদের সকল দুশ্চিন্তার অবসান ঘটেছে ফাল্গুনের তৃতীয় রাতে। ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে হারিয়ে গেছেন এই মহান কবি চিরতরে। আল্লাহ্‌ কবির সুপ্ত ইচ্ছে পূরণ করেছেন; শুক্রবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে বিদায় নিয়েছেন কবি আল মাহমুদ। ইচ্ছে পূরণ হলো হয়তো! এটা কি তবে সৌভাগ্যের মৃত্যু? কে জানে! জন্ম ও শৈশবঃ বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে যিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাকভঙ্গিতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন; তিনি কবি আল মাহমুদ। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবিও তিনি। তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। একাধারে একজন কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশু-সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক তিনি। ১...