পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ইতিহাসে কাজী নজরুল ইসলাম

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দের ২৪ মে (জ্যৈষ্ঠ ১১, ১৩০৬ বঙ্গাব্দ ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। [১] চুরুলিয়া গ্রামটি আসানসোল মহকুমার জামুরিয়া ব্লকে অবস্থিত। পিতামহ কাজী আমিন উল্লাহর পুত্র কাজী ফকির আহমদের দ্বিতীয় স্ত্রী জাহেদা খাতুনের ষষ্ঠ সন্তান তিনি। তাঁর বাবা ফকির আহমদ ছিলেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম এবং মাযারের খাদেম। নজরুলের তিন ভাইয়ের মধ্যে কনিষ্ঠ কাজী আলী হোসেন এবং দুই বোনের মধ্যে সবার বড় কাজী সাহেবজান ও কনিষ্ঠ উম্মে কুলসুম। কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল "দুখু মিয়া"। নজরুল গ্রামের স্থানীয় মসজিদে মুয়াজ্জিনের কাজ করেন। মক্তবে ( মসজিদ পরিচালিত মুসলিমদের ধর্মীয় স্কুল) কুরআন , ইসলাম ধর্ম, দর্শন এবং ইসলামী ধর্মতত্ত্ব অধ্যয়ন শুরু করেন। ১৯০৮ সালে তাঁর পিতার মৃত্যু হয়, তখন তার বয়স মাত্র নয় বছর। পিতার মৃত্যুর পর পারিবারিক অভাব-অনটনের কারণে তাঁর শিক্ষাজীবন বাধাগ্রস্ত হয় এবং মাত্র দশ বছর বয়সে জীবিকা অর্জনের জন্য কাজে নামতে হয় তাঁকে। [৬] এসময় নজরুল মক্তব থেকে নিম্ন মাধ্যমিক পরীক্ষায় উ...

শহীদ আব্দুল মালেক স্বরনে

ছবি
শহীদ আব্দুল মালেক স্মরণে । Salauddin MD Rasel মালেক তুমি ডাকছো যাদের তারা যায়নি কভু সেই দলে, যে দল পথ হারাদের । তোমার ডাক ছিল সাম্যের, সীরাতে মুস্তাকিমের, শাহিদী মিছিল আজো দীর্ঘ হয়,ঈমানের পরীক্ষায় উর্ত্তীণ্যদের । তোমার রেখে যাওয়া কাজের গুনে তুমি মেহমান হও জান্নাতের এই দোয়া শহীদি মিছিলের, মিনতি সকলের, যে জান্নাত মহান রবের ।

"ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রপথিক শহীদ আব্দুল মালেক"

ছবি
ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রপথিক শহীদ আব্দুল মালেক -ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম আজকের এই দিনে ইসলামী শিক্ষাকে জাতীয় শিক্ষানীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র জনপ্রিয় ছাত্রনেতা আব্দুল মালেক ভাই সন্ত্রাসীদের হাতে ১৯৬৯ সালের ১২ আগষ্ট আহত হয়ে ১৫ আগষ্ট শাহাদাত বরণ করেন। একজন মানুষ এ ভূবনে স্ব-মহিমায়,জ্ঞানে,ধ্যানে,চিন্তা-চেতনায় কত উজ্জ্বল ভাস্বর হতে পারে শহীদ আব্দুল মালেক তারই এক জ্বলন্ত উদাহরণ হয়ে থাকবে অনাগত পৃথিবীর কাছে। একটি জাতির মেরুদণ্ড হলো শিক্ষা,সেই ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রনায়ক,বীর সেনানী শহীদ আব্দুল মালেক। একটি উন্নত নৈতিক চরিত্র সম্পন্ন যুব -ছাত্রসমাজ ছাড়া একটি জাতির এগিয়ে যাওয়া অসম্ভব। এরাই জাতির মূল চালিকা শক্তি। শহীদ আব্দুল মালেক সেটি উপলব্ধি করেছেন বলেই তিনি শিক্ষাব্যবস্থার গোড়াপত্তনের ভিত্তি আবিস্কার করেছেন,সে লড়াইয়ে বিলিয়ে দিয়েছেন নিজের প্রাণ। এদেশ ঋণী হয়ে থাকবে শহীদ আব্দুল মালেকের আত্নার কাছে যুগের পর শতাব্দীর পর শতাব্দী। বিশেষ করে আজকের আধুনিকতার নামে নব্য জাহিলিয়াতের যাতাকলে পিষ্ট তরুণ প্রজন্মকে শহীদ আব্দুল মালেক দিয়েছেন এক অনন্য...

"আমায় থাকতে দাও তোমার সাথে"

ছবি
আমিনা কুতুব। নাম শুনে চেনা চেনা লাগছে?  হ্যাঁ! সাইয়েদ কুতুবের বোন! আমিনার সাথে তার বরের প্রথম দেখা হাসপাতালের বেডে। সেখানেই বিয়ে ঠিক। অবাক করা ব্যাপার হলো, তার বর কামাল আল সানানিরিকে সে দেশের সরকার তখন গ্রেফতার করে রেখেছে। জেল থেকে বের হতে আরো বিশ বছরের মত বাকি। তারপরেও আমিনা এমন মানুষের সাথে ঘর করতে রাজী হয়েছিলেন। মিশরের সরকার সেসময় বন্দীদের ওপর কেমন অত্যাচার করতো তা সবাই কম-বেশি জানেন। না জানলে আহমাদ রায়েফের ‘নব্য ফেরাউনের কারাগার’- বইটি পড়তে পারেন। . পাশবিক সে অত্যাচারে কালাম আল সানানিরি প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে যান। তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। সেখানেই আমিনা কুতুবের সাথে বিয়ে হয়ে গেলো। অন্য কোনো মেয়ে হলে হয়তো কোনোদিন রাজীও হতো না, মেনেও নিতো না। তবে আল্লাহ তা‘আলা আমিনা কুতুবের মনে দৃঢ়তা ঢেলে দিয়েছিলেন। স্বামীকে তিনি বাকিটা জীবন সমর্থন দিয়ে গেছেন, যেভাবে খাদিজা (রা) সমর্থন দিয়ে গেছেন রাসূলকে (সা)। মজার ব্যাপার, আমিনা কুতুব তার স্বামীর চেয়ে বয়সে প্রায় দশ বছরের বড়ো ছিলেন। . প্রায়ই আমিনা তার স্বামীকে জালিমের কারাগারে দেখতে যেতেন। তাকে সান্তনা দিতেন। কায়রো থেকে কানা জেলে যাওয়া একটা...